Monday, 16 November 2015 00:00

Chorom Doridrer Porom Paoa


চরম দরিদ্রের পরম পাওয়া

    

 
 
চরম দরিদ্রের পরম পাওয়া

 

দারিদ্র্যবিষয়ক প্রথাগত পুস্তকে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সাধারণত দুটো শ্রেণীতে ফেলা হয়— সহনীয় ও চরম দরিদ্র। ইংরেজিতে যথাক্রমে মডারেট ও এক্সট্রিম পুওর। এ বিভাজনকে আবার উঁচু ও নিচু দারিদ্র্য রেখা দিয়েও বিবেচনা করা যায়। যা-ই হোক, প্রথমোক্ত শ্রেণী কার্যত ভূমিহীন, যাদের নিজস্ব জমির পরিমাণ ৫০ শতক এবং মাথাপিছু দৈনিক ক্যালরি গ্রহণ ২ হাজার ১০০ ক্যালরির নিচে। বিশ্ব কৃষি ও খাদ্য সংস্থার মতে, একজন ব্যক্তি দৈনিক ২ হাজার ১০০ ক্যালরির নিচে গ্রহণ করলে তিনি দরিদ্র বলে বিবেচিত হবেন। বেশ কিছুকাল সরকার, এনজিও ও দাতাগোষ্ঠীর দৃষ্টি নিবদ্ধ ছিল শুধু এ শ্রেণীর দিকে এবং সেই সূত্রে দেয়া হতো ক্ষুদ্রঋণ ও অন্যান্য সহায়তা। এদের ওপর বিশেষ নজর দেয়ার অন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ বোধহয় এই যে, এরা দারিদ্র্য রেখার আশপাশে থাকে বলে প্রান্তিক সাহায্য-সহায়তা নিয়ে খুব দ্রুত রেখার উপরে অবস্থান নিতে পারে। সরকার তখন জোরগলায় বলতে পারে, ‘দ্যাখো, কত লোককে উপরে তুলেছি; আমরা গরিবের বন্ধু।’ এসব দেখেশুনেই বোধহয় তারাপদ রায় ‘ভাল আছ, গরিব মানুষ’ কবিতায় লিখেছেন—...................

 

লেখক: সাবেক উপাচার্য ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

 

http://www.bonikbarta.com/2015-11-15/news/details/55947.html